মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে তুলে ধরা; মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান ও পরবর্তী প্রজন্মকে সংগঠিত করা; বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা; বঙ্গবন্ধু…
বিস্তারিত পড়ুন →বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আপনাকে অন্যায় ও যড়যন্ত্রভাবে গ্রেফতার করার পরে আপনার মুক্তির আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষ্যে-২০০৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর শিক্ষা, শান্তি, সেবা ও প্রগতি এর ৪ মূলনীতির ভির্ত্তিতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বাঁচিয়ে রাখার স্বপ্ন ও লক্ষ্য নিয়ে আপনার মুক্তির আন্দোলনকে বেগবান করার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ নামক সংগঠনের জন্ম হয়।
সময়ে সাথে তাল মিলিয়ে উক্ত সংগঠন বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি সহ জামাত শিবির, বিএনপি'র অপরাজনীতির বিরুদ্ধে রাজপথে সার্বক্ষনিক অবস্থান নিয়ে জামাত শিবির, বিএনপি, হেফাজত ইসলামের জ্বালাও পোড়াও অপরাজনীতি ও যড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ ঘোষিত সকল কর্মসূচীতে জীবন বাজি রেখে রাজপথে সক্রিয় ছিল। যাহা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের অনেকেই অবগত আছেন।
অত্যন্ত দু:খের বিষয় এই যে- বিগত ৫ই আগষ্ট-২০২৪ এর পরে উক্ত সংগঠনের একটি অংশ নিস্ক্রিয় আছেন। তাই উক্ত সংগঠনকে গতিশীল ও বেগবান করার লক্ষ্যে পূর্বের কমিটিকে ভেঙে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাহসী যোদ্ধাদের নিয়ে সারা বাংলাদেশের নেতা-কর্মীদের সাথে সমন্বয় করে "আহবায়ক কমিটি" করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য পরিস্কার- আপনার প্রতি অবিচল আস্থা ও "জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন"
সেমতে আপনার সদয় অবগতি, সদয় সম্মতি, নির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় সাহায্য সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

